নয়াগ্রামে বিজেপি ছেড়ে কয়েকশ কর্মীর তৃণমূলে যোগ
দি নিউজ লায়নঃ ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা আসনে আগামী ২৭ শে মার্চ নির্বাচন হবে। বিধানসভা নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই বিজেপি দল ছেড়ে দলে দলে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করছেন। যার ফলে বিজেপি নেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নয়াগ্রাম ব্লকের দামোদরপুর এলাকায় শতাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক বিজেপি দল ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।
সেইসঙ্গে নয়াগ্রাম ব্লকের আরও এগারটি এলাকায় মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে বহু মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন বলে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয় ।মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া সকলের হাতে দামোদরপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের ঝাড়গ্রাম জেলার কো অডিনেটর উজ্জ্বল দত্ত।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া সকলের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পর তিনি বলেন ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে তৃণমূল কংগ্রেসে বিজেপি ছেড়ে বিজেপি কর্মীরা দলে দলে তৃণমূল কংগ্রেস দলে শামিল হচ্ছে ।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে শুধু নয়াগ্রাম বিধানসভা নয় ,ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস এর প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে ।কারণ জঙ্গলমহলের উন্নয়নের কান্ডারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই জঙ্গলমহলে তিনি যেভাবে উন্নয়নের কাজ করেছে স্বাধীনতার পর রাজ্যের কোন মুখ্যমন্ত্রী সেভাবে কাজ করেনি ।তাই জঙ্গলমহলের শান্তি ও উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ কে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে রয়েছে এবং আগামী দিনেও থাকবে।
তাই জঙ্গলমহলের মানুষ যেমন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সমাবেশে যায়নি, তেমনি অমিত শাহের সভায়ও তারা যায়নি ।জঙ্গলমহলের মানুষ বিজেপি নেতাদের প্রকৃত জবাব দেওয়ার জন্য তাদের সভায় যোগ দিচ্ছেন না ।কারণ ভারতবর্ষের নাম্বার ওয়ান মিথ্যাবাদী রাজনৈতিক দল হল বিজেপি। তাই এই মিথ্যাবাদী দলে মানুষ থাকতে চায় নি।তাই তারা বিজেপি দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করছে। যে বিজেপি দলের নেতা-নেত্রীরা লোকসভা নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছিলেন ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জয়লাভ করলে ঝাড়গ্রাম থেকে পুরুলিয়ার বান্দোয়ান ও ঝাড়গ্রাম থেকে গোপীবল্লভপুর হয়ে উড়িষ্যার বারিপদা পর্যন্ত রেল লাইন তৈরি করা হবে ।
কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটে সেই রেল লাইনের কোনো উল্লেখ নেই। যারা রেল কে বিক্রি করে দিচ্ছে যারা দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে বিক্রি করে দিচ্ছে তারা করবে রেললাইন। তাই মিথ্যাবাদী বিজেপিকে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য জঙ্গলমহল জুড়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান এর হিড়িক শুরু হয়েছে। যার ফলে নির্বাচনের মুখে গরুর দুধ থেকে সোনার কারিগর দিলীপ ঘোষের এলাকায় বিজেপি কর্মীরা দল ছাড়তে শুরু করেছে। তাই বিজেপি নেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

Post a Comment